এইমাত্র
  • ঝিনাইদহে আ.লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনকারী ছাত্রলীগ নেতাকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা পিতার
  • মির্জাপুরে দুই ইটভাটা মালিককে জরিমানা
  • পাকুন্দিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কাঠমিস্ত্রীর মৃত্যু
  • মুন্সিগঞ্জে চুরির অভিযোগে দুই যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
  • খামেনি পরবর্তী যে কোনো উত্তরসূরিকে নির্মূল করার অঙ্গীকার ইসরায়েলের
  • পাহাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে: পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী
  • চাঁদাবাজ-অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • সরকারি হাসপাতাল থেকে দালাল নির্মূলের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
  • মাধবপুরে রঘুনন্দন ছড়া থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ
  • ভালুকা জুড়ে আমের মুকুলের ঘ্রাণ, মধুমাসের আগমনী বার্তা
  • আজ বুধবার, ২০ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৪ মার্চ, ২০২৬
    আন্তর্জাতিক

    একাকিত্ব দূর করতে ৫৯ বছর বয়সে মা হলেন নারী

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম

    একাকিত্ব দূর করতে ৫৯ বছর বয়সে মা হলেন নারী

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম
    সংগৃহীত ছবি

    চীনে ৫৯ বছর বয়সে সন্তানের জন্ম দিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছেন এক নারী। এটি তার দ্বিতীয় সন্তান। এর আগে তার একটি মেয়ে রয়েছে। খবর সাউথ মর্নিং চায়না পোস্টের। 


    ঝোউ নামের ওই নারী জানান, তার প্রথম সন্তান মেয়ে। মেয়ে বড় হয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় তিনি ও তার স্বামী খুব ‘একাকী’ অনুভব করছিলেন।


    একাকিত্ব কাটাতে এ দম্পতি দুবছর আগে আরও একটি সন্তান নেওয়া পরিকল্পনা করেন। 


    গর্ভধারণের জন্য ঝোউ নিজের স্বাস্থ্য ঠিক করা এবং শরীরকে প্রস্তুত করা শুরু করেন। সুষম খাদ্যগ্রহণ ও নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি তিনি ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা আইভিএফ পদ্ধতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে শুরু করেন।


    এ দম্পতির বয়স অনেক বেশি হওয়ায় তাদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রায় শূন্য ছিল, গর্ভধারণে ঝুঁকিও ছিল অনেক বেশি। কিন্তু তারা আশা ছাড়েননি।


    আইভিএফ পদ্ধতিতে গর্ভধারণের জন্য এ দম্পতি চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন এবং কয়েক মাসের চিকিৎসায় সফলভাবে গর্ভধারণে সক্ষম হন।


    ঝোউ জানান, গর্ভধারণের পর চিকিৎসকেরা তার বিশেষ যত্ন নিতেন। এই নারী বলেন, ‘চিকিৎসকেরা নিয়মিত আমাকে বার্তা পাঠাতেন, আমার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখতেন। আমার নিজেকে পান্ডা মনে হতো, চিকিৎসকেরা যাকে যত্নসহকারে রক্ষা করছেন।’


    ঝোউকে গর্ভকালীন নানা শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তার রক্তচাপ অনেক বেড়ে গিয়েছিল, কিডনিতেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল, পা অনেক ফুলে যেত। তার আরও বেশ কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছিল।


    তাই গর্ভধারণের প্রায় ৩৩ সপ্তাহ পর চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। ৯ জানুয়ারি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ঝোউ ২ দশমিক ২ কেজি ওজনের একটি ছেলেশিশুর জন্ম দেন।


    ঝোউয়ের চিকিৎসক গুও বলেন, তিনি একজন সাহসী মা, যিনি এই ভয়ংকর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন।


    এই প্রতিবেদনে ঝোউয়ের স্বামী বা তার মেয়ে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।


    এমআর-২

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…